ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। পবিত্র কোরআনে জুমার দিন দ্রুত মসজিদে গমনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তা ছাড়া হাদিসে গুরুত্বপূর্ণ আমলের কথা বর্ণিত হয়েছে। ইরশাদ হয়েছে, ‘হে মুমিনরা! জুমার দিন নামাজের আজান হলে তোমরা আল্লাহর স্মরণে ধাবিত হও এবং বেচাবিক্রি বন্ধ কোরো, তা তোমাদের জন্য উত্তম, যদি তোমরা বুঝো।
গুনাহ মাফ
মানুষের জীবন কেবল দুনিয়ার কয়েক দশকের সফর নয়; বরং এটি অনন্ত জীবনের প্রস্তুতির একটি পরীক্ষাকেন্দ্র।
মানুষ প্রতিনিয়ত গুনাহ করে—ইচ্ছায়, অনিচ্ছায় কিংবা শয়তানের প্ররোচনায়। এর মধ্যে কিছু গুনাহ রয়েছে, যা তাওবা ছাড়া মাফ হয় না। আবার কিছু গুনাহ এমনও রয়েছে, যা তাওবা-ইস্তিগফার ছাড়াও আল্লাহ তাআলা বিশেষ নেক আমলের বিনিময়ে মাফ করে দেন।
ইসলামে শুক্রবার বা জুমাবারের রাত-দিনকে বিশেষ মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। হাদিসে জুমার দিনকে সাপ্তাহিক ঈদের দিন বলা হয়েছে।
তাওবা শব্দটি এক মহান শব্দ। এর অর্থ খুবই গভীর। তাওবা এমন নয় যে মুখে শব্দটি বললাম অতঃপর পাপে লিপ্ত থাকলাম।
ইসলামে জুমার দিনটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত। জুমার দিনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ আমল সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো—
ক্ষমা শব্দের অর্থ অপরাধ মার্জনা, সহিষ্ণুতা, সহনশীলতা।
ক্ষমা শব্দের অর্থ অপরাধ মার্জনা, সহিষ্ণুতা, সহনশীলতা। অন্যের অপরাধ মাফ করে দেওয়ার নাম ক্ষমা।
মহান আল্লাহ বিভিন্ন বাহানায় তাঁর বান্দাকে ক্ষমা করতে চান। তিনি ক্ষমা করতেই ভালোবাসেন। বান্দাকে শুধু সেই ক্ষমা পাওয়ার জন্য কোরআন-হাদিসের নির্দেশিত পথে নিজেকে পরিচালিত করতে হবে।
সুস্থতা আল্লাহর তাআলার বড় নেয়ামত। অসুস্থতা তার পক্ষ থেকে পরীক্ষা। এই দুইটি মানবজীবনের অনুষঙ্গ। মহান আল্লাহ তার প্রিয় নবীদেরও কখনো কখনো রোগ-ব্যাধি দিয়েছেন।